পদ্মা নদীর তীরবর্তী হাসাইল গ্রামের আঃ সালাম প্রায় ৫০ একর জমির মালিক। তিনি নিজে কৃষিকাজ না করে বর্গাদারদের মাধ্যমে জমি চাষ করান। গ্রামের কারো সাথে বিরোধ হলে বর্গাদাররা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই তার পক্ষ নেয়। গ্রামের সব বিচার-সালিশে তার মতামতই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য। হঠাৎ পদ্মা নদীতে ভাঙন শুরু হলে রাতারাতি আঃ সালাম নিঃস্ব হয়ে পড়েন। বাধ্য হয়ে জীবন ধারণের জন্য তিনি শহরে চলে আসেন। এখানে কেউ তাকে চেনে না, কোনো মূল্য দেয় না।
গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে উদ্দীপকের আঃ সালামের অবস্থান ধনী কৃষক শ্রেণিতে।
গ্রামীণ সমাজে সামাজিক স্তরবিন্যাসের মূল ভিত্তি হলো ভূমি মালিকানা, যার ভিত্তিতে গ্রামীণ শ্রেণি বিভাজন নিশ্চিত হয়। গ্রামীণ সমাজব্যবস্থায় যারা অনেক ভূ-সম্পত্তির মালিক এবং ভূমির ওপর নির্ভর করে যথেষ্ট সচ্ছলভাবে দিনযাপন করতে পারে তাদেরকে ধনী কৃষক বলে। সম্পত্তির মালিকানার জোরে তারা গ্রামীণ সমাজে প্রভাব প্রতিপত্তি খাটায়। এদের অনেকে নিজেদের পুরো জমি চাষাবাদ না করে শস্য ভাগাভাগির ভিত্তিতে বর্গাদারদের কাছে জমি বর্গা দিয়ে থাকে। আর্থিক ক্ষমতার কারণে গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোতে এদের প্রভাবই সর্বাধিক।
উদ্দীপকে হাসাইল গ্রামের আঃ সালাম প্রায় ৫০ একর জমির মালিক। তিনি নিজে কৃষিকাজ না করে বর্গাদারদের মাধ্যমে জমি চাষ করান। গ্রামের সব বিচার-সালিশে তার মতামতই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য।
উপরের আলোচনা এবং আঃ সালামের গ্রামে তার যে অবস্থান তা পর্যালোচনা করলে বলা যায়, তিনি গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে ধনী কৃষক শ্রেণিভুক্ত।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?